অনলাইনে অর্থ উপার্জন

নতুনদের জন্য সেরা ১০ টি অনলাইনে অর্থ উপার্জন পদ্ধতি

ডিজিটাল এই যুগে লক্ষ্য করলে দেখা যায় অনেকেই বাড়তি অনলাইনে অর্থ উপার্জন করতেছে। আপনি কেন আপনার সুযোগ হাতছাড়া করবেন! হন আপনি, ছাত্র, চাকুরিজীবি, কিংবা বিজনেসম্যা কোন সমস্যা নাই. আপনি চাইলেই  অনলাইনে বাড়তি ইনকাম করেতে পারবেন।

আপনি কি অনলাইনে অর্থ উপার্জনের উপায় খুঁজছেন? এই আর্টিকেলটি পড়লে জানতে পারবেন কিভাবে কোন মাধ্যমে অনলাইনে অর্থ ইনকাম করা যায়। আমরা একটা জিনিস খুব ভাল করে জানি সেটা হলো বেকার সমস্যা। আমাদের অনেক অনার্স-মাস্টার্স করা লোক চাকুরি পাচ্ছে না।

অনেক সময় দেখা যায় কেউ সামান্য অর্থ উপার্জনের জন্য অন্যের ধারে ধারে ঘুরছে। কেন এই অবস্থা? আমরা কি নিজেরা নিজেকে গুছিয়ে নিতে পারি না! অব্যশই পারি।

আসুন সেরা ১০ টি অনলাইনে অর্থ উপার্জন পদ্ধতি দেখে নেওয়া যাক যা নতুনদের জন্য খুবই কার্যকরী হতে পারে এবং আপনার অল্প বা অনেক সময় নিতে পারে। এই পদ্ধতিগুলিকে আয়ের সম্পূরক উত্স হিসাবে ভাবুন, যা হবে আপনার বাড়তি আয়ের উৎস।

ফ্রিল্যান্সিং করে অনলাইনে অর্থ উপার্জন

অনলাইনে অর্থ উপার্জন
অনলাইনে অর্থ উপার্জন

বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং হলো অনলাইনে অর্থ উপার্জনর করার একটি জনপ্রিয় মাধ্যম। এটি ইন্টারনেট ব্যবহার করে আপনার যোগ্যতা অনুযায়ী করতে পারবেন। দক্ষতা সম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য বিভিন্ন ধরনের মার্কেটপ্লেজ/ ওয়েবসাইট আসে যেখানে ফ্রিল্যান্স কাজ অফার করে । আপনি যদি কোন একটি কাজে এক্সপার্ট হন তাহলে আপনাকে যা করতে হবে তা হল একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করা।

নিজের নামে একটা চমৎকার প্রোফাইল তৈরি করুন এবয় আপনার উপযুক্ত কাজের জন্য আবেদন করুন। কিছু  কিছু ওয়েবসাইট আছে সেখানে আপনার দক্ষতার বিবরণ সহ একটি ব্যক্তিগত তালিকা তৈরি করার প্রয়োজন হতে পারে। সেই বিবরণ অনুযায়ী আগ্রহী ক্লায়েন্টরা সরাসরি আপনার সাথে যোগাযোগ করতে পারে। যেমন: ফাইভার, আপওয়ার্ক ইত্যাদি।

আপনি যদি কাজটি সফলভাবে সম্পন্ন করে দিতে পারেন এবং কাজটি ক্লায়েন্ট যদি অনুমোদন দেয় তাহেলে মার্কেটপ্লেজ/ ওয়েবসাইট আপনাকে অর্থ প্রদান করবে। কিন্তু মার্কেটপ্লেজ/ ওয়েবসাইট কর্তৃপক্ষ তাদের নির্ধারিত % কেটে নিবে এন্ড বাদকাকিটা আপানাকে দিয়ে দিবে।

বিঃদ্রঃ আপনি যদি কাজটি সঠিকভাবে করে দিতে না পারেন তাহলে ক্লায়েন্টদের প্রয়োজনীয়তা অনুসারে কাজটি কয়েকবার সংশোধন করা লাগতে পারে।

নিজের ওয়েবসাইট শুরু করুন

এইটি ওয়েবসাইট হতে পারে আপনার জীবন বদলানোর গল্প। এটা হয়তো বিধাতায় ভাল জানে কার কপালে কি আছে, তয় এটা চিরন্তর সত্য যে আপনি যদি পরিশ্রম করেন এবং সতভাবে চলেন তাহলে সফলতা আসবেই।

ওয়েবসাইট তৈরি করা পদ্ধতি খুবই সহজ। ওয়েবসাইটের জন্য যা যা লাগবে ডোমেন, হোস্টিয়, wordpress-theme আপনি ফ্রি কিংবা পেইড থিম ব্যবহার করতে পারেন। আপনার ওয়েবসাইটা দর্শকদের সার্ভিস দেওয়ার জন্য প্রস্তুত হলে; আপনি চাইলে Google Adsense-এর জন্য সাইন আপ করতে পারেন তারা দেখে আপনার সাইটাকে গ্রহনযোগ্য মনে করলে তারা  Adsense অনুমোদন দিবে।

তারপর থেকেই শুরু হয়ে গেল আপনার বাড়তি অনলাইনে অর্থ উপার্জন করার উৎস। যদি দর্শকরা আপনার গুগল পদত্ত এ্যাডে ক্লিক করে আপনাকে অর্থ উপার্জন হবে। এবং আপনি আপনার ওয়েবসাইটে যত বেশি ট্রাফিক পাবেন, তত বেশি আয়ের করতে পারবেন।

সার্ভে করে ইনকাম

আজকাল অনেকেই সার্ভে করে লক্ষ্য লক্ষ্য অর্থ উপার্জন করতেছে। সার্ভে হতে পারে আপনার বাড়তি অনলাইনে অর্থ উপার্জন করার পদ্ধতি। অনলাইন সার্ভে করা হল সামান্য অতিরিক্ত নগদ বা পুরস্কার যেমন উপহার কার্ড উপার্জনের একটি সহজ উপায়।

লক্ষ্য করলে দেখা যায় অ্যানালিস্টের মালিকানাধীন আমেরিকান কনজিউমার ওপিনিয়ন সহ অনেক অনলাইন জরিপ সাইটগুলির পিছনে বাজার গবেষণা সংস্থাগুলি (MRFs) রয়েছে৷ এছাড়াও আপনি IdeaShifters বা Swagbucks-এর মতো সার্ভে অংশগ্রহণ করার জন্য সাইন আপ করতে পারেন, যা বিভিন্ন কর্পোরেশন এবং MRF-এর সাথে অংশীদারিত্ব করে।

আপনার সার্ভে প্রতি এক ডলার বা তার বেশি উপার্জনের আশা করা উচিত নয়। এবং প্রথমটি নেওয়ার আগে আপনাকে সম্ভবত নিজের সম্পর্কে অনেক তথ্য সরবরাহ করতে হবে।

সার্ভে নেওয়ার সুযোগ খুঁজতে গিয়ে, এমন কোম্পানিগুলির সাথে লেগে থাকুন। যাদের সার্ভে প্রতিক্রিয়াগুলির জন্য অর্থ প্রদানের প্রমাণিত ট্র্যাক রেকর্ড রয়েছে এবং যেগুলি আপনার ব্যক্তিগত তথ্য পাওয়ার জন্য ডিজাইন করা স্ক্যাম নয়।

আপনার মনে রাখা উচিত যে আপনি নির্দিষ্ট সার্ভে করার যোগ্য নাও হতে পারেন কারণ আপনি কোম্পানি যে জনসংখ্যার সন্ধান করছে তার সাথে মেলে না। উদাহরণস্বরূপ, আপনি খুব বৃদ্ধ বা খুব কম বয়সী হতে পারেন।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং

অনলাইনে অর্থ উপার্জন
অনলাইনে অর্থ উপার্জন

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হতে পারে একটি কম খরচে এবং অনলাইনে অর্থ উপার্জনের অপেক্ষাকৃত সহজ উপায়। বিক্রি করার জন্য আপনার নিজের কোনো পণ্য বা পরিষেবা থাকার দরকার নেই; অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং আপনাকে বড় কোম্পানি থেকে কমিশন উপার্জন করার সুযোগ দেয়।

আপনি আপনার ওয়েবসাইট/ব্লগ বা সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে একটি কোম্পানির পণ্য বা পরিষেবার প্রচার করেন, কোম্পানির অফারগুলির লিঙ্ক প্রদান করেন। এই অ্যাফিলিয়েট ট্র্যাকিং লিঙ্কগুলি নিশ্চিত করে যে আপনি একটি অর্থপ্রদানকারী গ্রাহককে কোম্পানির ওয়েবসাইটে বিতরণ করার জন্য ক্রেডিট পেয়েছেন এবং আপনি আপনার পুরস্কার হিসাবে বিক্রয়ের শতাংশ পাবেন৷

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর সাথে জড়িত প্রধান কাজ হল লোকেদের আপনার ওয়েবসাইট/ব্লগ-অথবা ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুক, টুইটার বা অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট-এ দেখার কারণ দেওয়া এবং দর্শক এবং অনুসারীদের একটি বড় গোষ্ঠী তৈরি করা।

এটি করার জন্য, আপনার এমন সামগ্রী সরবরাহ করা উচিত যা সম্ভবত এমন লোকেদেরকে আকর্ষণ করতে পারে যারা আপনি যে জিনিসটি কেনার চেষ্টা করছেন তা কিনতে আগ্রহী। উদাহরণস্বরূপ, আপনি ভোক্তা ইলেকট্রনিক্স পণ্য সম্পর্কে লিখতে এবং ভিডিও তৈরি করতে পারেন—সেগুলি কীভাবে ব্যবহার করবেন এবং/অথবা কোনটি সেরা—এমনভাবে সার্চ ইঞ্জিনগুলির জন্য অপ্টিমাইজ করা হয়৷

নিজে ই-কমার্স ওয়েবসাইট শুরু করুন

অনলাইনে অর্থ উপার্জন
অনলাইনে অর্থ উপার্জন

অনলাইনে অর্থ উপার্জন করার একটি সম্পর্কিত উপায়—কিন্তু এর জন্য সম্ভবত আপনার পক্ষ থেকে একটু বেশি কাজ করতে হবে—একটি ই-কমার্স ওয়েবসাইট। আপনি আপনার ওয়েবসাইট থেকে পণ্য বিক্রি করবেন, হয় আপনার নিজের তৈরি করা বা বাণিজ্যিকভাবে উপলব্ধ।

আপনি যদি পরবর্তী রুটটি বেছে নেন, অর্ডার পূরণের সবচেয়ে সাধারণ এবং ঝামেলা-মুক্ত উপায় হল ড্রপ শিপিংয়ের মাধ্যমে। আপনি গ্রাহকদের পান এবং তাদের অর্ডার নেন, কিন্তু একটি তৃতীয় পক্ষের কোম্পানি আপনার জন্য পণ্য গুদামজাত করে এবং জাহাজে করে।

আপনি যদি নিজের পণ্য তৈরি করেন, তাহলে আপনি একটি প্রতিষ্ঠিত প্ল্যাটফর্ম, যেমন Etsy এবং আপনার নিজের সাইটে উভয়ই বিক্রি শুরু করতে চাইতে পারেন। আপনি গ্রাহকদের একটি ভিত্তি তৈরি করার পরে, আপনি শেষ পর্যন্ত সেই মধ্যস্থতাকারীকে কেটে ফেলতে পারেন।

অনলাইন কোর্স অফার

ই-বুকগুলির মতো, অনলাইন কোর্সগুলি আপনি সেগুলি তৈরি করার পরে এবং সেগুলিকে অনলাইনে উপলব্ধ করার পরে প্যাসিভ অনলাইনে অর্থ উপার্জন করে৷ আপনার যদি শেখানোর দক্ষতা থাকে এবং আপনি অন্যদের সাথে ভাগ করতে চান এমন দক্ষতার সেট, অতিরিক্ত অর্থ উপার্জনের উপায় হিসাবে অনলাইন কোর্স তৈরি করার কথা বিবেচনা করুন।

প্রাথমিক ওয়েবসাইট যেখানে আপনি আপনার কোর্স পোস্ট করতে পারেন। কিন্তু অন্যান্য অনলাইন ব্যবসার মতো, আপনি যদি একটি খ্যাতি প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হন, তাহলে আপনি আপনার নিজের সাইটের মাধ্যমে আপনার কোর্সগুলি অফার করতে সফল হতে পারেন৷

একটি নির্দিষ্ট বিষয় এলাকায় জ্ঞান ছাড়াও, আপনার ভিডিওগুলিতে একটি আকর্ষক উপস্থিতি থাকতে হবে। যদি আপনি সম্ভাব্য ছাত্রদের মনোযোগ ধরে রাখতে না পারেন, তাহলে তারা আরও ক্লাসের জন্য ফিরে আসবে না।

ওয়েব ডিজাইনিং

একজন ওয়েব ডিজাইনারকে বলা হয় একটি ওয়েবসাইটের চেহারা, লেআউট এবং কিছু ক্ষেত্রে বিষয়বস্তুর উপর কাজ করে। চেহারা, উদাহরণস্বরূপ, ব্যবহৃত রং, ফন্ট এবং চিত্রের সাথে সম্পর্কিত। একটি ভাল ওয়েব ডিজাইন ব্যবহার করা সহজ, নান্দনিকভাবে আনন্দদায়ক এবং ওয়েবসাইটের ব্যবহারকারী গ্রুপ এবং ব্র্যান্ডের জন্য উপযুক্ত।

অনলাইনে অর্থ উপার্জন
অনলাইনে অর্থ উপার্জন

অনেক ওয়েবপৃষ্ঠার উপর ফোকাস দিয়ে ডিজাইন করা হয়, যাতে ব্যবহারকারীদের বিভ্রান্ত বা বিভ্রান্ত করতে পারে এমন কোনও বহিরাগত তথ্য এবং কার্যকারিতা উপস্থিত না হয়। ওয়েবসাইট ডিজাইন করার জন্য সবচেয়ে সাধারণ দুটি পদ্ধতি যা ডেস্কটপ এবং মোবাইল উভয় ক্ষেত্রেই ভাল কাজ করে তা হল প্রতিক্রিয়াশীল এবং অভিযোজিত ডিজাইন।

বর্তমানে সকল ব্যবসার মালিকরা তাদের প্রতিষ্ঠানের জন্য ওয়েবসাইট তৈরি করছে। একটা ওয়েবসাইটের সাথে তাদের ছোট বড় সকল ব্যবসাকে সংযোক্ত করতে পারতেছে। যার ফলে সকল তথ্য সহজে বের করতে পারে। ওয়েব ডিজাইনিং এন্ড ডেভেলপমেন্টে করার মাধ্যমে বাড়তি অনলাইনে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। ওয়েব ডিজাইনিং এন্ড ডেভেলপমেন্টে, কোডিং, এবং সিএমএস ডেভেলপমেন্টে ( wordpress)  ইত্যাদি করে বাড়তি আয় করতে পারেন।

ক্লায়েন্টের ওয়েবসাইট সেট আপ এবং রক্ষণাবেক্ষণ যে কেউ তার চাকুরির লেখাপড়া বা পাশাপাশি করে আয় করতে পারে।

আর্টিকেল লেখালেখি করে ইনকাম

অনলাইন প্ল্যাটফর্মে আর্টিকেল লেখালেখি হতে পারে আপনার বাড়তি অনলাইনে অর্থ উপার্জনের উৎস। লেখালেখি যদি আপনার ভাল লাগে তাহলে এই সুযোগটাকে আপনি কাজে লাগাতে পারেন। নির্দিষ্ট কোন বিষয়ের উপর কাউকে কোন আর্টিকেল লিখে দিয়ে তার বিনিময়ে অর্থ আয় করুন।

আপনার লেখার কোয়ালিটির উপর ভিত্তিকরে প্রতি ১০০০ শব্দ লেখে মিনিমাম ১০০০ টাকা ইনকাম করতে পারবেন। এর জন্য আপনার কিছু এসইও জ্ঞান থাকা দরকার।

ব্লগিং করে ইনকাম

ব্লগিং হচ্ছে এক ধরেনর সখ। যেখানে আপনার আবেগ, এক্সপেরিযেন্স শেয়ার করে অন্যদের জানানো। বর্তমানে ব্লগিং একটি পেশা হয়ে গেছে; অনেক ব্লগিং পার্টাইম/ ফুলটাইম কাজ করতেছে বাড়তি ইনকামের জন্য।

খুব সহজে আপনিও ফুলটাইম ব্লগার হয়ে যেতে পারেন; বানিয়ে নেন, blogger, WordPress ব্যবহার করে একটি ওয়েবসাইট। কোন বিনিয়োগের প্রয়োজন নেই কিন্তু ব্লগিং করে অনলাইনে অর্থ উপার্জন করতে হলে অনেক শ্রম ও দৈর্য্য থাকতে হবে।

ভাষা অনুবাদ করা যেমন: বাংলা, ইংরেজি ছাড়া আপনি যদি অন্য কোন ভাষায় পারদর্শি হন তাহলে এটি আপনাকে কিছু বাড়তি অনলাইনে অর্থ উপার্জন করতে সাহায্য করবে। অনেক ক্লায়েন্ট তাদের ওয়েবসাইটের জন্য তাদের নিজস্ব ভাষায় ব্লগ লিখান।

বেশ কিছু ওয়েবসাইট রয়েছে সেখানে আপনি ‍সাইন আপ করে একাউন্ট করলে অনেক ক্লায়েন্ট পেতে পারেন। ইংরেজির পাশাপাশি যে ভাষাগুলো শিখতে পারের স্প্যানিশ, ফ্রেঞ্চ, আরব, জার্মান ইত্যাদি। এই ধরনের কাজ বিশ্বের যে কোন জায়গা থেকে অনলাইনের মাধ্যমে করতে পারেন।

ইউটিউবে ইনকাম

আপনার যদি ব্লগ এবং আর্টিকেল লেখালিখি করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ না করেন তবে YouTube হবে বেষ্ট। ভিডিও উপস্থাপনা তৈরি করার মাধ্যমে আপনি বাড়িাত ইনকাম করতে পারবেন। প্রথমতে একটি  YouTube চ্যানেল তৈরি করুন, ভিডিও তৈরি করতে ক্যামেরা ব্যবহার করুন। ভিডিও গুলো আপলোড করুন এবং তাদের মার্কেটিং শুরু করুন।

তাড়াতাড়ি গুগল র‌্যাংক পেতে নিশ সিলেক্ট করুন যেমন আপনি যদি টেকনোলজি ভাল জানেন তাহলে একটি নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে ভিডিও বানান। বেসিক কিছু SEO করুন যাতে গ্রাহক আপনার ‍ভিডিওগুলো খোজে পায় এবং গ্রাহকের সংখ্যা বাড়বে; তেমনি আপনার উপার্জনের সম্ভাবনাও বাড়বে। YouTube কতৃপক্ষ প্রতি হাজার ভিউ এর উপর ভিত্তি (গুগল এ্যাড) করে পেমেন্ট দেয়।

শেষ কথা:

আর্টিকেলটি পড়ে বিশেষ করে নতুনরা কমপ্লিট একটা ধারনা পেয়েছেন। আশা করি  সেরা ১০ টি অনলাইনে অর্থ উপার্জন পদ্ধতির পড়ার মাধ্যমে শুরুহোক আপনার বাড়তি ইনকাম। প্রতিনিয়ত চেষ্টা করছি ইনফরমেটিভ আর্টিকেল আপনাদের উপহার দেয়ার জন্য। আপনার কোন মতামত থাকলে আমাদের সাথে শেয়ার করতে পারেন। ধন্যবাদ আপনাকে মূল্যবান সময় ‍দিয়ে সম্পুর্ণ আর্টিকেলটি পড়ার জন্য।

Leave a Comment

Your email address will not be published.